কক্সবাজারে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, মার্চ ২৫, ২০২০
  • 71 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

পর্যটন নগর কক্সবাজার জেলার ০৫টি উপজেলা ও সকল জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক ক্যাম্প এলাকা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৮টি উপজেলায় বুধবার (২৫ মার্চ) ভোর থেকেই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের চিকিৎসাদলসহ সেনাসদস্যরা। সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি জেলাগুলোর প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই টহল দিতে দেখা গেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হয় ও স্হানসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষন করা হয়।

বুধবার সকাল থেকেই সেনাবাহিনী টহল কার্যক্রম শুরু করেছে। কোনো জায়গায় বেশি লোকজন যেন সমবেত হতে না পারে, সবাই যেন নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে এবং যথাযথভাবে সরকারী নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে সেনাবাহিনী এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে। প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক ক্যাম্প এলাকায় সেনাবাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক নতুন চেক্ পোষ্ট স্থাপন ও টহল কার্যক্রমের পরিধি বহুগুনে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে বহিরাগতদের চলাচল।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর থেকেই সাধারণ মানুষের বাহিরে আসার প্রবণতা কমে এসেছে। রাস্তাঘাটে খুব কম সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অনেক এলাকা প্রায় জনমানবশূন্য। সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোও জনমানব শূন্য অবস্থায় দেখা গেছে। জেলার রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে। সেনাসদস্যরা মাইকিং করে, লিফলেট বিতরণ করে এবং প্রেষণার মাধ্যমে বাহিরে অবস্থানরত লোকদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT