শিরোনাম :
মাতারবাড়ি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন উপলক্ষ্যে ঈদগাঁওতে ১ হাজার ৫শ জনের মাঝে টিকা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা সিনহা হত্যা মামলার চতুর্থ দফা সাক্ষ্যগ্রহন শুরু উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন

ওসি প্রদীপের কালো টাকা সাদা করার দায়িত্বে ছিল ঈসমাইল সিআইপি

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২০
  • 2466 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
টাকার বিনিময়ে ক্রসফায়ার দেওয়া এবং মাদক ব্যবসায়িদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করা বর্তমান সময়ের সব চেয়েআলোচিত টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের কালো টাকা সাদা করার দায়িত্বে ছিলেন টেকনাফ উপজেলার পরিচিত মুখ সিআইপ ঈসমাইল। সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা ঈসমাইল দীর্ঘদিন মধ্য প্রাচ্যে থাকার সুবাদে কিভাবে টাকার লেনদেন করতে হয় তা খুব ভাল করেই জানা ছিল। তাই সেইঅপকৌশল দিয়ে ওসি প্রদীপের বেশির ভাগ কালো টাকা সাদা করে প্রদীপের আত্বীয় স্বজনের কাছে পৌছে দিতেন ঈসমাঈল। বিনিময়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। সেই পথে অনেকদূর এগিয়ে ও গেছে কারন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগ নেতা নুর হোসাইনকে ইতি মধ্যে ৪০ হাজার ইয়াবা মামলায় আসামী করে এলাকা ছাড়া করেছেন ওসি প্রদীপ আর ঈসমাইল। গত ইউপি নির্বাচনে ঈসমাইলের বড় ভাই সোনা আলী চেয়ারম্যান নির্বাচন করলেও হেরেযায় নুর হোসেনের কাছে সেই প্রতিশোধ নিতেও কাজ করেছে ওসি প্রদীপ এবংঈমসাইল। তবে মাত্র ৫/৬ মাস আগে ওসি প্রদীপের সাথে পরিচয় হয়েছে বলে ঈসমাইল দাবী করলেও দেড় বছর আগের তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ ছবি এবং ভিডিও সংরক্ষিত আছে। স্থানীয়দের দাবী সাবেক ওসি প্রদীপ ছিল টেকনাফ উপজেলার অঘুসিত বাদশা। এখানে কোন এমপি বা জনপ্রতিনিধি কিছুই না বরং সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা ওসির কাছে অসহায় ছিল। কারন সে কাউকে যে কোন সময় ধরে নিয়ে গিয়ে ক্রয়ফায়ার দেওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। তাদের দাবী প্রথম দিকে সত্যিকার অর্থে কিছু ইয়াবা ব্যবসায়ি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও গত এক বছর ধরে নিহত হয়েছে সবাই নিরিহ এবং টাকা দিতে না পারায়,প্রবাসী অথবা কন্ট্রাক কিলিংয়ের শিকার। আর ওসি প্রদীপ এই অবৈধ পথে যা টাকা আয় করতো তা বিদেশ হয়ে কৌশলে দেশে আনার একমাত্র ব্যাক্তি ছিল সিআইপি ঈসমাইল। আবার সাবরাং এলাকা ঈসমাইলের নতুন বিলাশ বহুল বাড়িতে প্রায় সময় ওসি এসআই সহ ঈসমাইল বসে ক্রসফায়ারের হিসাবে করতো এবংটাকার লেনদেন করতো। এছাড়া অনেক ব্যাক্তি থেকে মাদক মামলায় আসামী করা হবে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করে ওসিকে দিয়েছে ঈসমাইল। আর সে নিজেও নিয়েছে বিপুল টাকা। মেজর সিনহা হত্যার পর একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে ওসি প্রদীপের সব অপকর্ম সাথে বেরিয়ে আসতে থাকে তার অপকর্মের সাথিদের নাম। এ ব্যপারে সিআইপি ঈসমাইল জানান,মাত্র ৫/৬ মাস আগে ওসি প্রদীপের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে। তার সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। মূলত আমি আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বো সেটা বুঝতে পেরে অনেকে ইতি মধ্যে ষড়যন্তু শুরু করে দিয়েছে এটা তারিই অংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT