শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

এনায়েত, আবুছিদ্দিক সহ অনেক রোহিঙ্গা এখন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ি

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, জুন ১৮, ২০২১
  • 716 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান
কক্সবাজার শহরে সামাজিক এবং ব্যবসায়িক ভাবে প্রতিষ্টিত হয়ে যাচ্ছে অনেক রোহিঙ্গা। প্রথমে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিভিন্ন কাজে যোগদান করলেও পরে নিজেরা পূজী দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে বনে যাচ্ছে বিপুল অর্থ বিত্তে¡র মালিক। পরে সেই টাকার জোরে নিয়ে আসছে তার রোহিঙ্গা আত্¦ীয় স্বজন আবার নিজেরাও বিয়ে করে বাড়াচ্ছে অগনিত সন্তান। ফলে কোন ভাবে নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছেনা এসব রোহিঙ্গাদের।
সসম্প্রতী বেশ কয়েকজন আগে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে শহরের বিভিন্ন মার্কেট,মাছবাজার,তরকারির দোকান,ছাপাখানা,হোটেল ব্যবসা সহ বেশির ভাগ ব্যবসা বানিজ্যকে প্রতিষ্টিত হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গার। এর মধ্যে একজন শহরের বদর মোকামের পাশে এনায়েত প্রিন্টার্সের মালিক এনায়েত প্রথমে দেখে কেউ বুঝার উপায় নেই সে একজন প্রকৃত রোহিঙ্গা নাগরিক। প্রায় ১২ বছর আগে আসা রোহিঙ্গা এনায়েত প্রথমে স্থানীয় এক ব্যাক্তির মাধ্যমে ছাপাখানার কাজ শিখলেও পরে এখন নিজেই দিয়েছে ছাপাখানার দোকান। বিয়ে করেছেন রয়েছে সন্তান সন্তাতিও শুধু এনায়েত নয় তার ভাই আবু ছিদ্দিক সহ তার ৫ ভাইবোন এখন শহরের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ি। বদর মোকাম এলাকার কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে,এনায়েত একজন রোহিঙ্গা এটা অনেকে জানেনা,তার কথা বার্তা অনেক স্মার্ট এবং পোষাক আসাকও অনেক নামী দামী পড়ে চলাফেরা সহ সব কিছু ভিআইপি স্টাইলে তাই কোন জানেনা সেই একজন রোহিঙ্গা তবে যারা পুরাতন ব্যবসায়ি আছে তাদের কয়েকজন স্বীকার করে এনায়েত সহ তার পুরু পরিবার রোহিঙ্গা। এ ব্যপারে এনায়েতের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে স্থানীয় দাবী করলেও পরে স্বিকার করে মায়ানমার থেকে অনেক আগে আসার কথা। তবে বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে নিয়ে পাহাড়তলী হালিমাপাড়ার দিকে থাকে বলে জানান। তার এবং তার ভাই আবু ছিদ্দিক থাকে সাহিত্যিকা পল্লীতে সেখানে ছেলেমেয়েরা প্রত্যেকে স্কুলে পড়ে বলে জানায় সে। এদিকে শহরের পাহাড়তলী,রুমালিয়ারছড়া,তারাবনিয়ারছড়া,কালুরদোকান সহ বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্টানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে শত শত রোহিঙ্গা এখানে ব্যবসা বানিজ্য করে প্রতিষ্টিত হয়ে গেছে। সম্প্রতী শহরের রুমালিয়ারছড়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ছৈয়দুল আমিন নামের এক রোহিঙ্গা সে কয়েক বছর আগেও ভ্যান চালক ছিল কিন্তু বর্তমানে সে এবং তার ছেলে শাকিল স্ত্রী নুর জাহান সবাই মিলে ইয়াবা ব্যবসার কল্যাণ এখন ফার্নিচারের দোকানদার হয়েছে। একজন স্থানীয় টাকার লোভে তাকে ব্যবসায়িক পার্টনার করেছে। এভাবে এবিসিঘোনার মধ্যে একজন ডাক্তারের সন্দান পাওয়া গেছে সে প্রকৃত রোহিঙ্গা তবে বর্তমাসে বিশাল বাড়ি ফার্মেসি,ও কয়েকটি দোকানের মালিক তার ছেলেরা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বলে জানান এলাকাবাসী। এদিকে দ্রæত সকল স্থানীয় মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রোহিঙ্গা প্রতিরোধ করা না গেলে এই রোহিঙ্গাদের আর কিছুই করা যাবে না তারা এক সময় আমাদের উপর জুলুম করবে বলে জানান স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT