শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

উখিয়া হাসপাতালে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যাস্ত কতৃর্পক্ষ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, মার্চ ১৫, ২০২১
  • 130 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

কক্সবাজারের উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
জানা যায়, সপ্তাহখানেক এর মধ্যে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আইসোলেশন সেন্টার থেকে অক্সিনেক্স সিলিন্ডার, নেবুলাইজার ও ফ্যান সহ জরুরী চিকিৎসা সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। সঠিক পরিসংখ্যান জানার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, হাসপাতালে চুরির ঘটনায় নিরব ভুমিকা পালন করছে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা। এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি জানান তারা। বরং তারাই এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যাস্ত। এমনকি খবরটি কেন সাংবাদিকরা জানতে পারলে সেই কারনে স্টাফদের মানসিক ভাবে অত্যাচার করছেন উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

উখিয়া স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. রঞ্জন বড়ুয়া রাজন জানান,চুরির ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তাই তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছেনা। মালামালের সঠিক পরিসংখ্যান জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।
উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানান,উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির বিষয়টি এখনো জানি না। কিন্তু কেন এতোদিন বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানালেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সেটি আমারও প্রশ্ন। বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখবে বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান, করোনা আইসোলেশন সেন্টারের বিপরীতে একটি সিসি ক্যামরা ছিল, ২০১৯ সালে সেটি চুরি করে নিয়ে গেছে৷ এখনো সেই চুর শনাক্ত করতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷
অভিযোগ উঠেছে, ২০১৯ সালে নিমানিশু (নিরাপদ মা, নিরাপদ শিশু) ইউনিট থেকে ৩টি ল্যাপটপ চুরি হয়েছিল, দীর্ঘদিন ২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারনে এখনো তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেননি সংশ্লিষ্ঠরা। মূলত: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতিপয় লোকজন এর সাথে জড়িত থাকায় চুরির ঘটনাটি ধামাচাপা পড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT