ঈদগাঁওতে কর্মহীন মানুষের চোখে মুখে হতাশা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • 116 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

করোনা ভাইরাস বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি দিয়ে বিশ্ব মহাসংকটে। বাংলাদেশ সরকার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।  সেনাবাহিনী ও পুলিশ ব্যাপকভাবে জন সচেতনতা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন মাঠে-ঘাটে। বর্তমান সময়ে ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে লোকজন এখন গৃহবন্দি বা হোম কোয়ারেন্টিনে বললেই চলে। সবখানেই নিরব আর নিস্তন্ধতা। করোনার আতংকে মানুষ বাড়ী থেকে সহজেই বের হচ্ছেনা। ফার্মেসী, খাদ্যের দোকান, হাসপাতাল,কাঁচাবাজার ছাড়া অন্যসব ব্যবসা প্রতিষ্টান লকডাউনে। এমনকি ব্যস্ত ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ বসতবাড়ীতে এখন অবসরে দিনপার করছে। করার কিছুই নেই। আগে বাঁচতে হবে। ঈদগাঁও বাজারসহ উপবাজার সমুহে যেন জন শূন্যতা আর হাহাকার বিরাজ করছে। প্রয়োজনীয় কাজকর্ম ছাড়া মানুষজন বাজার মুখী হচ্ছেনা আতংকে।  এমনি সময়ে নিন্ম আয় এবং দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল লোকজন নিজে ও পরিবার পরিজনের জন্য একমুঠো খাবার জোগাড় করতে পারছেনা। পড়েছেন বিপাকে । বৃহত্তর ঈদগাঁওর নানা শ্রেনী পেশার অসহায়,দিনমজুর,হতদরিদ্র লোকজন কর্মহীন হয়ে দিনযাপন করছে। কদিন শান্তিতে থাকলেও বর্তমানে তাদের চোখেমুখে হতাশার কালো ছায়া বিরাজ করছে পাশাপাশি গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়েছেন। নীরব কান্না যেন থামছেনা। একদিকে করোনার আতংকে মানুষ মহাবিপদে,অন্যদিকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে চাউলের দাম অগ্নিমুল্যে। খেটে খাওয়া অসহায় মানুষগুলো সরকারী সহায়তা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এখনো। তরুন ব্যবসায়ী হুমায়ুন সিকদারের উদ্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের মাঝে কিছুটা হলেও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেয়া হয়। বিত্তবানরা এগিয়ে আসছেনা অসহায়দের পাশে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চালকরা জানান, ভাইরাস আতংকে লোকজন সহজে ঘরবাড়ী থেকে বের হচ্ছেনা, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রিকসা চালিয়ে দেড়শত টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছি।

বর্তমানে কর্মহীন তাহের, শামসু, আজিমসহ আরো অনেকে জানান, সবকিছু বন্ধ। আয়ের কোন পথ নেই। পরিবার পরিজনের জন্য খাবার জোগাড় করতে পারছিনা ঠিকমত। কঠিন ভাবে দিনপার করছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT