আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
  • 743 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান
জালাল উদ্দিন প্রকাশ বর্মাইয়া জালাল এক সময় আইসক্রিম বিক্রি দিয়ে জীবন শুরু করে। থাকেন পূর্ব মোহাজের পাড়াতে তার পিতা ইউচুপওও বার্মাইয়া নাগরিক দ্বিতীয় বিয়ে করে বর্তমানে কোথায় থাকে কেউ জানানে। জালালের মাও রোহিঙ্গা তিনি অবশ্য সৌদি আরবে থাকতেন সেখানেই নাকি মারা গেছে। তবে এক সময় আইসক্রিম বিক্রেতা জালাল এখন কোটি টাকার মালিক সম্প্রতি ৩৬ লাখ টাকা দিয়ে নোহা গাড়ী কিনেছেন,সেটা নিজে চালায় এবং ভাড়া দেয়। এলাকাবাসীর দাবী সব কিছু হয়েছে ইয়াবার কল্যানে। এক সময় অর্থ কষ্টে থাকাল জালাল এখন স্থাণীয়দের চেয়ে প্রভাবশালী। পূর্ব মোহাজের পাড়াতে রয়েছে জমি সহ আরো বিপুল সম্পদ। মৌসুমী নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন তার পিতা আবছার এবং পুরু পরিবারও রোহিঙ্গা। এদিকে মোহাজের পাড়া এবং পূর্বঘোনারপাড়া থেকে অসংখ্য মানুষজন অভিযোগ করেন। জালাল কয়েক বছর আগেও সামান্য গাড়ী চালক ছিলেন এর আগে আইসক্রিম বিক্রি করতো। এখন ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি পতি করেছেন বাংলাদেশী অনেক পরিচয় পত্র। ক্যাম্প থেকে এনে অনেক আত্বীয় স্বজনকেও করে দিয়েছেন বাংলাদেশী অনেক কাগজ পত্র। প্রতিনিয়ত ক্যাম্পে থাকা তার আত্বীয় স্বজনরা আসেন তার বাড়িতে একই সাথে শশুর পক্ষের লোকজন এমনকি মহিলারাও জড়িয়ে পড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়। এলাকার যে কয়েকজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ি আছি তাদের সবার সাথে রয়েছে ঘনিষ্ট যোগাযোগ। এছাড়া স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং তাদের ছেলে মেয়েদের সাথেও রয়েছে ঘনিষ্টতা। ফলে জালাল এখন আর রোহিঙ্গা নয় বরং স্থানীয়দের অভিবাবক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় ছেলেদের জন্য প্রতিনিয়ত খরচ করে বিপুল টাকা। দামী হোটেলে খাবার থেকে শুরু করে পার্টি আয়োজন করে সে। এছাড়া তার ভাই আবদুল্লাহ সহ অনেকে এখন সমাজ কমিটি সহ বিভিন্ন স্থানে প্রভাবশালী হয়ে পড়েছে। তাই দ্রæত এসব রোহিঙ্গা এবং ইয়াবা ব্যবসায়িদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান এলাকাবাসী। এদিকে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি যতটুকু শুনেছি জালালের মা বাবার বাড়ি টেকনাফ তার মা বাবা সৌদি আরবে থাকেন। তবে এক সময় কোন কিছু না থাকলেও বর্তমানে আরেক রোহিঙ্গা আবছারের মেয়ে বিয়ে করে বেশ ব্যবসা বানিজ্য করছে। কিছুদিন আগে ৩৬ লাখ টাকা দিয়ে নোহা গাড়ি কিনেছে বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে জালাল উদ্দিন বলেন,আমাদের প্রকৃত বাড়ি মহেশখালীতে তবে মহেশখালী কোথায় সেই ঠিকানা দিতে পারেনি। আর মোহাজের পাড়াতে জমি নিয়ে বিরোধ থাকার কারনে এলাকার কিছু মানুষ শত্রæতা করছে বলে জানান তিনি। সম্প্রতী গাড়ি কিনেছি এটা সত্য তবে পুরাতন গাড়ি বিক্রি করে নতুন গাড়ি কিনেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT