শিরোনাম :
আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল হক নান্নু আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল আলম নান্নু খুরুশকুলে পৃথক স্থানে আ‘লীগের দু‘গ্রæপের সম্মেলন : দুটি কমিটি ঘোষনা ঈদগাঁওতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান: জরিমানা আদায় কক্সবাজারে ২৪ দেশের সেনা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সেমিনার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সাজেদা চৌধুরী টেকনাফ উপজেলা আ‘লীগের সম্মেলন সম্পন্ন : সভাপতি বশর,সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩২ জনের মধ্যে ১৫ জনই কক্সবাজারে পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা বৃদ্ধিকে কাজ করছে প্রেস কাউন্সিল

অবাধে বিদ্যূৎ সুবিধা পাচ্ছে খাসজমিতে থাকা রোহিঙ্গারা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২
  • 179 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
স্থানীয়রা বিদ্যূত মিটারের জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র,জমির খতিয়ান বা মালিকানার কাগজ পত্র, আয়কর সনদ বা টিন সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজন হয় আরো অনেক কাগজ পত্র,কিন্তু সরকারি পাহাড়ে অবৈধ ভাবে বসাবাস কারী হাজার হাজার রোহিঙ্গার জন্য কোন আইন নেই তারা বিদ্যূৎ বিভাগের কর্মচারীদেও ম্যানেজ কওে প্রতিনিয়ন ব্যবহার করছে বিদ্যূৎ। যদি আগে নিয়মের তেম বেশি বালাই ছিল না কিন্তু বর্তমানেও কিভাবে রোহিঙ্গারা আর পাহাড় এবং খাস জমিতে বসবাসকারীরা রাষ্ট্রের এই সুবিধা পায় সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কক্সবাজারের সচেতন মহল। তবে কক্সবাজার বিদ্যূৎ বিভাগ বলছে আগেও কিছু দালালের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা বিদ্যূৎ সুবিধা পেলেও এখন আর সেভাবে পাচ্ছে না।
কক্সবাজার পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডেও বৃহত্তর পাহাড়তলী,৯ নং ওয়ার্ডের বিশাল এলাকা এবং ৮ নং ওয়ার্ডেও পাহাড়ি এলাকা,১ নং ওয়ার্ডেও বেশির ভাগ এলাকা এয়াড়া ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন এলাকাতে সরকারি খাস জমিতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ঘর বাড়ি তৈরি করছে রোহিঙ্গারা। তারা মূলত দখলদারদেরর কাছ থেকে এসব খাস জমি কিনে আবার কিছু পুরাতন রোহিঙ্গারা আনছে তাদের আত্মীয় স্বজনদের। কিছুদিন পরেই তারা মিশে যায় স্থানীয়দের সাথে পেয়ে যায় সমস্ত রাষ্ট্রিয় সুযোগ সুবিধা।
শহরের টেকপাড়া এলাকার মনজুর আলম বলেন,কিছুদিন আগে আমার নিজের বাড়ির পাশে ভাড়া বাসার জন্য আলাদা মিটারের জন্য বিদ্যূৎ অফিসে গেলে সেখানে কর্মকর্তারা বলেছে,পৌর এলাকা মিটারের জন্য আমার জাতীয় সনদ পত্র,আয়কর সনদ,জমির মালিকারা বা খতিয়ান লাগবে। এখানে অন্যান্য কাগজ পত্র থাকলেও আয়কর সনদ না থাকায় আমি এখনো মিটার পায়নি। দ্বিতীয় বার যখন বিদ্যূৎ অফিসে গেছি তখন দেখছি কয়েকজন মহিলা তাদের দেখতে রোহিঙ্গা মনে হলে কৌতহল বসত খোঁজ নিয়ে দেখি তারা হালিমা পাড়া,এবং সিরাজের ঘোনা থেকে এসেছে আমি দেখলাম তাদের কাজ খুব দ্রæত হয়ে যাচ্ছে কোন তেমন বেশি কাগজ পত্রও দিতে হয়নি। তবে তাদের পেছনে বিদ্যূৎ অফিসের কয়েকজন কর্মচারী আছে। তিনি বলেন,আমি স্থানীয় মানুষ হয়ে মিটার পেলাম না আর তারা রোহিঙ্গা হয়ে সরকারি পাহাড় শ্রেনীতে বাড়ি করে কিভাবে বিদ্যূৎ সুবিধা পায় ? এমন প্রশ্ন মোবাশে^র নামের এক কর্মকর্তাকে করলে তিনি আমাকে বলেন,তাদের পৌরসভার হোল্ডিং আছে,সাথে অন্যান্য কাগজ পত্র দিয়েছে।
এদিকে সদর উপজেলার খুরুশকুল হামজার ডেইল এলাকার মোতাহার হোসেন বলেন,আমাদের এখানে পল্লী বিদ্যূৎ বিভাগ কাজ করে এখানেও স্থানীয়দের জন্য নানান হয়রানী হলেও রোহিঙ্গাদের জন্য কোন হয়রানি নেই তারা টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে সব করে ফেলে। আসলে এই দেশ মনে হয় রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাধীন করা হয়েছে। তিনি বলেন,রোহিঙ্গারা আবার অনেক ভুয়া কাগজ পত্র ব্যবহার করে অন্য জনের এনআইডি দিয়ে,ভুয়া খতিয়ান দিয়ে আবেদন করে কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা সব জেনেই না জানার ভান করে টাকা খেয়ে চুপ করে থাকে।
পিএমখালী ৬ নং ওয়ার্ডেও মেম্বার মোহাম্মদ আলম বলেন,আমরা নিজেরা অনেক সময় স্থানীয় মানুষের জন্য সুপারিশ করলে বিদ্যূৎ অফিসের কর্মকর্তারা শুনেনা,কিন্তু রোহিঙ্গাদের জন্য ঠিকই সব করে আমি বুঝতে পারি না,রোহিঙ্গাদের জন্য সবার এত মায়া কেন ? তারা যদি সরকারি সুযোগ সুবিধা না পায় তাহলে এখানে গ্রামে গঞ্জে বাড়ি করার চিন্তা করবে না। আমার মতে কোন স্থানীয় ছেলে বা মেয়ে কোন রোহিঙ্গা নারী বা পুরুষ বিয়ে করলে তাকে বাংলাদেশী নাগরিক সেবা বন্ধ করা দরকার। একই সাথে যারা আগে এসেছে রোহিঙ্গাদের ও তালিকা করে সব ধরনের নাগরিক সুবিধা বন্ধ করা দরকার।
এ ব্যাপাওে কক্সবাজার সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সভাপতি অধ্যাপক অজিত দাশ বলেন,এটা খুবই ভাল উদ্দ্যোগ হবে চিহ্নিত রোহিঙ্গাদের যদি বাংলাদেশের প্রচলিত নাগরিক সুবিধা বন্ধ করা যায় তাহলে তারা আর কখনো স্থানীয়দের সাথে মিশতে চাইবে না। এতে বাংলাদেশে প্রকৃত নাগরিকরা আরো সুযোগ সুবিধা বেশি করে পাবে।
কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: শহীদুল ইসলাম বলেন,ইতি মধ্যে আমরা বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গার মিটার নাম্বার সহ নিয়ে কক্সবাজার বিদ্যূৎ অফিসে তাদের বিদ্যূৎ সংযোগ বাতিলের জন্য আবেদন করেছি কিন্তু আমাদেও জানা মতে এখনো কোন কাজ হয়নি।
এ ব্যপারে কক্সবাজার বিদ্যূৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওসমান গনি বলেন,আগে কিছু রোহিঙ্গা বা পাহাড়ে অবৈধ ভাবে বসাবাসকারীরা বিদ্যূৎ সংযোগ পেলে এখন আর সেভাবে পাচ্ছে না। এছাড়া সঠিত তথ্যপেলে যারা পেয়েছে প্রয়োজনে তাদেরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT