অক্ষত কাজী রাসেলের সম্রাজ্য,জেলে বসেই চলছে চাঁদাবাজী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২০
  • 135 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজার শহরের কটেজ জোনের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মূর্তিমান আতংক সেচ্ছাসেবক লীগনেতা কাজী রাসেল আহামদ নোবেল প্রকাশ কাজী রাসেলের সম্রাজ্য এখনো অক্ষত। জেলে বসেই চলছে চাঁদাবাজী। সরকারি দলের প্রচন্ড প্রভাবপ্রতিপত্তি দেখিয়ে কোন দৃশ্যমান আয় না থাকা সত্তে¡ও হোটেল মোটেল জোনে ২ টি রোস্তারা,বীচ মার্কেটে দোকান,সমন্ত গণপূর্তের খালিথাকা জমিতে মাছ চাষ করে এবং কটেজ জোন থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া এই কাজি রাসেল এখন কারাগারে থাকলেও এখনো তার নির্দেশেই চলছে কটেজজোন। জেলে বসেই তার নির্দেশে এখনো নিয়মিত চাঁদা তুলে তাকে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ েআছে বেশ কয়েকজন ক্যাডার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ি জানান,মূলত সরকারি দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে স্থাণীয় পর্যায়ে বেশির ভাব নেতার আশ্রয়ে অল্প দিনে জেলা বানিজ্যিক প্রাণ কেন্দ্র কটেজজোনের একছত্র অধিপতি হয়ে উঠেন কাজী রাসেল। স্বরণ এলাকায় থাকা প্রায় ৬০/৭০টি কটেজে পতিতা,মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রন করে বনে যান কোটি পতি। সেই সাথে সীইন পয়েন্টের পাশে বীচের মার্কেটে রয়েছে তার নিজস্ব বাহিনি সেখানে রাতারাতি গড়ে উঠা অসংখ্য দোকান থেকেও নিয়মিত মাশোয়ারা নিত কাজী রাসেল। সেই মার্কেটে কয়েকটি দোকান আগে বিক্রি করে দিলেও বর্তমানে তার দোকানটি পরিচালনা করছে রামু উপজেলার রাসেল নামের এক যুবক। সে সহ এই মার্কেটের আলম (শুকনাছড়ি)গোরা মিয়া(টিএন্ডটি পাহাড়)মাসুদ তার ভাইয়ের শালা,মোস্তাফিজ(বাহারছড়া) এবং জাকির নামের ক্যাডাররাই প্রতিনিয়ত চাঁদা তুলে কাজী রাসেলের হাতে আগেও দিত এখনো প্রতিনিয়ম বিভিন্ন নামে নামে বেনামে চাঁদা তুলছে। এবং যারা চাঁদা দিতে রাজি হচ্ছেনা তাদের জেল থেকেই ফোন করে হুমকি দিচ্ছে কাজী রাসেল। এদিকে স্থানীয়দের দাবী কাজী রাসেলের সুগন্ধা পয়েন্টে অসংখ্যা ভাজা মাছের দোকান ছিল এবং নামে বেনামে এখনো আছে। এছাড়া তার আরেক অপকর্মের সাথী ফারুক সওদাগর,জাফর সওদাগর এবং কাজী রাসেল মিলে লংবীচ হোটেল সামসে ক্রাপ ক্যাফে রেস্তোরা এবং কটেজ জোটে মগের মুল্লুক নামের হোটেল গুলোও পরিচালনা করছে তার ক্যাডাররা। ব্যবসায়িদের দাবী,তার পরিবার কক্সবাজারের স্থায়ী বাসিন্দা না,তার পিতা ভোলা নদী ভাঙ্গা এলাকা থেকে এখানে এসেছিল, তার নিজস্ব কোন আয়ের পথ না থাকলেও কাজী রাসেল চাঁদাবাজী করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এই এলাকার ত্রাসে পরিণত হয়েছিল। এবং এখনো জেল থেকেই সেই অপকর্ম অব্যাহত রেখেছে। মূলত সরকারি গণপূর্তের বেশির ভাগ সরকারি প্লটে তার মাছ চাষের ঘের করেই সে বেশি আলোচিত হয়েছে মানুষ মনে করেছে যেখানে সরকারি প্লাট দখল করছে সেখানে আমরা কি। এছাড়া ঝিনুক ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্টা করে সেখানে অসংখ্য সন্ত্রাসী বানিয়ে তাদের যে কোন অপকর্মে ব্যবহার করতোসে। তবে সর্ব শেষ ২৩ ফেব্রæয়ারী কটেজজোন থেকে নারী এবং মাদক সহ আটক হয়ে বর্তমানে কারাগারে থাকলেও এখনো অক্ষত তার সমস্ত স¤্রাজ্য এবং জেল থেকেই চলছে চাঁদাবাজী।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT